মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন

প্রধান পৃষ্ঠপোষকঃ মোহাম্মদ রফিকুল আমীন
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ জহির উদ্দিন স্বপন
সম্পাদক মণ্ডলীর সভাপতিঃ এস. সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু
প্রধান সম্পাদকঃ লায়ন এস দিদার সরদার
সম্পাদকঃ কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদকঃ মাসুদ রানা পলাশ
সহকারী সম্পাদকঃ লায়ন এসএম জুলফিকার
সংবাদ শিরোনাম :
বরিশালে জুলাই যোদ্বা শানু আকনের উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মেহেন্দিগঞ্জে পারিবারিক বিরোধের জেরে জামাইয়ের হাতে স্ত্রী ও শাশুড়ি আহত! ভান্ডারিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর পুড়ে ছাই, ক্ষতি প্রায় ৪ লাখ টাকা খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় ভান্ডারিয়ায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল দুই আসনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ “শাপলা কাব অ্যাওয়ার্ড” পেলেন বানারীপাড়ার নুসরাত জেরিন বানারীপাড়ায় বর্ণীল আলোকসজ্জা ও জমজমাট আয়োজনে কার্তিক পূজা অনুষ্ঠিত বরিশাল নগরীতে অনুষ্ঠিত ইতিহাসের সর্ব বৃহত্তম নারী সমাবেশে রহমাতুল্লাহ বরিশালে রাত পোহালেই বিএনপি নেত্রী ফাতেমা রহমানের ঠিকানা প্রত্যান্ত অঞ্চল সংবাদ সম্মেলন করে কয়েকটি স্থানীয় পত্রিকা ও অনলাইন নিউজ পোর্টালের বিরুধ্যে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ আনলেন গৌরনদীর বিএনপি নেতা সজল সরকার
বরগুনা পৌর শহর এখন ময়লার ভাগাড়

বরগুনা পৌর শহর এখন ময়লার ভাগাড়

বরগুনা প্রতিনিধি ॥ বরগুনা পৌর শহরের বিভিন্ন স্থান এখন আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। সড়কের আশপাশসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বাসাবাড়ির আশপাশে স্তূপ করে রাখা হয় আবর্জনা। আর এর দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে স্থানীয়রা। পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে আবর্জনা সংগ্রহ করে পৌরসভার খালগুলোতে ফেলছেন। ফলে খালগুলোর স্বাভাবিক পানি চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি দূষণ হচ্ছে পরিবেশ। বরগুনা শহরের সোনাখালি এলাকা। এই স্থানে শহরের ময়লা আবর্জনা যত্রতত্র স্তুপ করে রাখা হয়। পৌরবাসীর চলাচলে দুটি রাস্তায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে পচা দুর্গন্ধযুক্ত ময়লা আবর্জনা। ফলে রাস্তা দুটোতে জনচলাচল এক প্রকার বন্ধপ্রায়। হাসপাতালের করোনা ইউনিটের ব্যবহৃত ময়লা আবর্জনা ও যন্ত্রপাতি ফেলে রাখছে এই স্তূপের রাস্তায়। আবর্জনার স্তূপ থেকে ময়লা পানি খালে যাওয়ায় পানিদূষণে ছড়িয়ে পড়ছে রোগব্যাধি, আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও স্থানীয়রা। বিদ্যালয়ের পাশে ময়লার স্তূপ জমা থাকে। পড়াশোনার পরিবেশ ব্যহত হচ্ছে। বিদ্যালয়ের প্রায় ৬০০ ছাত্রছাত্রী চরম স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে ময়লা-আবর্জনার পাশ দিয়ে বিদ্যালয়ে যাতায়াত করতে হয়। পৌরসভার মেয়রের কাছে বারবার বলা সত্যেও এর কোনও প্রতিকার পাননি তারা।অভিযোগ রয়েছে তিনশ’র মতো সুইপার রয়েছে যারা নিয়মিত পারিশ্রমিক নিয়ে থাকেন। কিন্তু বাস্তবে কাজ করছেন ৪০ থেকে ৫০ জন। সচেতন মহলের দাবি মেয়রের খামখেয়ালিপনায় পৌর শহরের আবর্জনা ও ধুলাবালির শহরে পরিণত হয়েছে। এদিকে ময়লা আবর্জনা বিষয়টি তিনি একপ্রকার এড়িয়ে গেলেও সুইপাররা অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের কাজ করছেন বলে এমন দাবি পৌর মেয়রের।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017-2024 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com