বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৫২ পূর্বাহ্ন

প্রধান পৃষ্ঠপোষকঃ মোহাম্মদ রফিকুল আমীন
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ জহির উদ্দিন স্বপন
সম্পাদক মণ্ডলীর সভাপতিঃ এস. সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু
প্রধান সম্পাদকঃ লায়ন এস দিদার সরদার
সম্পাদকঃ কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদকঃ মাসুদ রানা পলাশ
সহকারী সম্পাদকঃ লায়ন এসএম জুলফিকার
সংবাদ শিরোনাম :
বরিশাল–১ আসন : জেল–জুলুম পেরিয়ে ভোটের লড়াইয়ে প্রত্যাবর্তন সাবেক আওয়ামী লীগ এমপি সুবেদ আলী ভূঁইয়ার পরিবার বিএনপিতে যোগদান পিআরএফ নতুন কমিটি গঠন,  কাওছার সভাপতি, ইউসুফ সম্পাদক বরিশালে জুলাই যোদ্বা শানু আকনের উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মেহেন্দিগঞ্জে পারিবারিক বিরোধের জেরে জামাইয়ের হাতে স্ত্রী ও শাশুড়ি আহত! ভান্ডারিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর পুড়ে ছাই, ক্ষতি প্রায় ৪ লাখ টাকা খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় ভান্ডারিয়ায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল দুই আসনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ “শাপলা কাব অ্যাওয়ার্ড” পেলেন বানারীপাড়ার নুসরাত জেরিন বানারীপাড়ায় বর্ণীল আলোকসজ্জা ও জমজমাট আয়োজনে কার্তিক পূজা অনুষ্ঠিত
বরিশাল ডোস্ট পাম্পে তেল চুরির সময় হাতেনাতে ধরা!

বরিশাল ডোস্ট পাম্পে তেল চুরির সময় হাতেনাতে ধরা!

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ বরিশাল নগরীর সাগরদি এলাকার ডোস্ট ফিলিং স্টেশনে চলছে তেল চুরির মহোৎসব। গ্রাহকদেরকে মাপে কম দিয়ে হাজার হাজার টাকার তেল মেরে দেয়া হচ্ছে প্রতিদিন। প্রতিবাদ করে উল্টো তোপের মুখে পড়ে গ্রাহকরা। (বুধবার) বিকেলে তেল চুরি করার সময় হাতেনাতে ধরা পড়ে স্টাফ জুলহাস ও জাহাঙ্গীর। সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে সেই তেল আবার ফেরত দেয় তারা। বিকেল ৫টার দিকে একজন গ্রাহক ২৫ লিটারের একটি কন্টেইনারে ১৫ লিটার তেল নেন। এ সময় কৌশলে তাকে সাড়ে ১২ লিটার তেল দেয় ডোস্টের স্টাফ জুলহাস ও জাহাঙ্গির। গ্রাহক বুঝতে পেরে প্রতিবাদ জানিয়ে বাকি তেল দাবি করেন। এতে তার উপর চড়াও হয় স্টাফ জুলহাস ও জাহাঙ্গির। বিধিবাম এ সময় কয়েকজন সাংবাদিক সেখানে পাম্প থেকে মোটরসাইকেলে তেল নিচ্ছিলেন। হট্রোগোল দেখে এগিয়ে গেলে অবশেষে বাকি সাড়ে তিন লিটার দিয়ে দিতে বাধ্য হয় ডোস্ট পাম্পের স্টাফরা।
এ বিষয়ে সেখানে দায়িত্বরত ক্যাশিয়ার রিপনকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, আমি এটি নিয়ে কোন মন্তব্য করতে পারবো না। একাউন্ট্যান্ট জাহাঙ্গির হোসেন তেল চুরির পক্ষে সাফাই গেয়ে বলেন, এটা কিছুনা, এটা নিয়ে নিউজ করার কিছু নেই। ডোস্ট ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার পরিচয়ে জাকির হোসন নামে একজন এই নিউজটি না করতে অনুরোধ করেন। পাশাপাশি কিছু টাকা দিয়ে সাংবাদিককে ম্যানেজ করারও চেষ্টা করেন। তিনি বলেন, এটি অপরাধ হয়েছে। তাই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ করছি। এদিকে আরেক গ্রাহক মোঃ সেলিম অভিযোগ করে বলেন, আমি কুয়াকাটা যাওয়ার পথে ডোস্ট থেকে পাঁচ শত টাকার তেল নেই। কিন্তু তেলের মিটার মোটেও নড়েনি। প্রতিবাদ করে কোন লাভ হয় না। পড়ে বুঝতে পারি আমাকে পাঁচ শত টাকার পরিবর্তে মাত্র পঞ্চাশ টাকার তেল দিয়েছে। এভাবে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকার তেল কম দিয়ে গ্রাহকদের সাথে প্রতারণা করছে ডোস্ট ফিলিং স্টেশন। এসব অবৈধ তেল চুরির টাকা স্টাফরা পায় নাকি মালিক পায় ? এমন প্রশ্নের জবাবে এক কর্মচারী বলেন, সব কিছুর ভাগই মালিক / ম্যানেজারকে দিতে হয়।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017-2024 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com