বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৫৫ অপরাহ্ন

প্রধান পৃষ্ঠপোষকঃ মোহাম্মদ রফিকুল আমীন
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ জহির উদ্দিন স্বপন
সম্পাদক মণ্ডলীর সভাপতিঃ এস. সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু
প্রধান সম্পাদকঃ লায়ন এস দিদার সরদার
সম্পাদকঃ কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদকঃ মাসুদ রানা পলাশ
সহকারী সম্পাদকঃ লায়ন এসএম জুলফিকার
সংবাদ শিরোনাম :
বরিশাল–১ আসন : জেল–জুলুম পেরিয়ে ভোটের লড়াইয়ে প্রত্যাবর্তন সাবেক আওয়ামী লীগ এমপি সুবেদ আলী ভূঁইয়ার পরিবার বিএনপিতে যোগদান পিআরএফ নতুন কমিটি গঠন,  কাওছার সভাপতি, ইউসুফ সম্পাদক বরিশালে জুলাই যোদ্বা শানু আকনের উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মেহেন্দিগঞ্জে পারিবারিক বিরোধের জেরে জামাইয়ের হাতে স্ত্রী ও শাশুড়ি আহত! ভান্ডারিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর পুড়ে ছাই, ক্ষতি প্রায় ৪ লাখ টাকা খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় ভান্ডারিয়ায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল দুই আসনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ “শাপলা কাব অ্যাওয়ার্ড” পেলেন বানারীপাড়ার নুসরাত জেরিন বানারীপাড়ায় বর্ণীল আলোকসজ্জা ও জমজমাট আয়োজনে কার্তিক পূজা অনুষ্ঠিত
দুর্ভোগের আরেক নাম ‘ইলিশা ফেরিঘাট’

দুর্ভোগের আরেক নাম ‘ইলিশা ফেরিঘাট’

ভোলা প্রতিবেদক ॥ জোয়ার এলেই তলিয়ে যায় ভোলার ইলিশা ফেরিঘাটের টার্মিনাল। এতে দুর্ভোগে পড়তে হয় শত শত পণ্যবাহী যানবাহনসহ সাধারণ যাত্রীদের। এই বেহাল দশা থেকে কবে পরিত্রাণ পাবে সেই প্রশ্ন এখন ভুক্তভোগীদের। কর্তৃপক্ষকে বারবার জানানোর পরও নিচ্ছে না কোনো ব্যবস্থা। স্থানীয় ব্যাবসায়ী ইসমাইল জানান, ইলিশা ফেরিঘাট দিয়ে ২১টি জেলার দিয়ে শতশত যানবাহন পারাপার হচ্ছে। একই সঙ্গে মানুষও যাতায়াত করছেন। একটু বৃষ্টি বা জোয়ার আসলেই শুরু হয় দুর্ভোগ। যাত্রীদের নৌকা দিয়ে ফেরিতে উঠতে হয়। এতে নারী ও বাচ্চাদের জন্য দুর্ঘটনার ঝুঁকিও রয়েছে। এ পর্যন্ত আহত হয়েছে অনেক যাত্রী। বিষয়টি কর্তৃপক্ষ জানলেও এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেয় নি। চরফ্যাশনের যাত্রী মাহাবুবুর রহমানসহ কয়েকজন জানান, আমরা বৌ-বাচ্চা ও মালামাল নিয়ে চট্রগ্রাম যাব। ফেরির টার্মিনালের এমন অবস্থা জোয়ারের পানির কারণে তা দেখা যাচ্ছে না। নৌকা দিয়ে পার হতে হবে। উৎপেতে রয়েছে নৌকার মাঝিরা। তারা পারাপারে মোটা অংকের টাকা দাবি করে। ট্রাক ড্রাইভার জসিম মিয়া, আব্দুল কালাম, শাহ আলম অভিযোগ করে বলেন, আমরা চরফ্যাশন থেকে সবজি নিয়ে এসেছি। যাবো চট্রগ্রাম। এখানে শতশত যানবাহনের সিরিয়াল। অন্যদিকে বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে টার্মিনাল দেখা যায় না। অনুমানের উপর ফেরিতে উঠতে গেলে সবজি ভর্তি ট্রাক নদীতে পড়ার সম্ভবনা রয়েছে। আমরা দুই ধরনের সমস্যায় আছি, দেরি হলে সবজি নষ্ট হয়ে যায়। পানির মধ্যে দিয়ে ফেরিতে উঠলে নদীতে পড়ার সম্ভবনা রয়েছে। এতে লোকসানের মুখে আছি আমরা। আমরা দ্রুত টার্মিনাল সংস্কারের দাবি জানাই। ভোলা লক্ষ্মীপুর ঘাটের ফেরি ব্যবস্থাপক ইমরান হোসেন জানান, আমি বর্তমানে ছুটিতে আছি। বিষয়টি আমি শুনেছি। ফেরি টার্মিনাল সংস্কার করার জন্য কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। আশা করি দ্রুত সমাধান হয়ে যাবে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017-2024 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com