বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০২:০০ পূর্বাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
দশমিনায় ইউপি চেয়ারম্যানের চাল আত্মসাত ঘটনা প্রমাণিত, ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ

দশমিনায় ইউপি চেয়ারম্যানের চাল আত্মসাত ঘটনা প্রমাণিত, ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ

দশমিনা প্রতিনিধি ॥ পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার আলীপুরা ইউনিয়ন পরিষদের ৬১৫ জন সুফলভোগীর ৩ মাসের চাল আত্মসাতের ঘটনা প্রমাণিত হওয়ায় অভিযুক্ত চেয়ারম্যান বাদশা ফয়সাল আহম্মেদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। গত ২১ জুন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ পরিচালক মোঃ হেমায়েত উদ্দিন এ তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। যা পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে জেলা প্রশাসক কর্যালয় থেকে প্রেরণ করা হয়েছে।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউনিয়ন চেয়ারম্যান বাদশা ফয়সাল আহম্মেদ ভিজিডি’র চাল বিতরণ না করে ভুয়া সই/স্বাক্ষও গ্রহণ, ভিডিজির উপকারভোগীদের ভিজিডি কার্ড আৎসাতের উদ্দেশ্যে নিজের কাছে জমা রাখা, চাল বিতরণের দিন ক্ষণ যথা সময়ে ট্যাগ অফিসারকে অবহিত না করা এবং সুবিধাভোগীদের সাথে অসদাচরণ এবং চাল বিতরণে ইউনিয়র পরিষদ সদস্যদেরকে সময়মত সম্পৃক্ত না করে চাল বিতরণ সংক্রান্ত অভিযোগ সমূহের সত্যতা প্রমাণিত হয়। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ হেমায়েত উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, জেলা প্রশাসক মহোদয় তদন্ত প্রতিবেদনে প্রেক্ষিতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে অভিযুক্ত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পত্র প্রেরণ করেছেন। এদিকে চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বাদশা ফয়সালের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দফা ভিজিডির চাল আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যরা এ অভিযোগ করেন। জানা গেছে, ২০১৯ সালে সংশ্লিষ্ট ট্যাগ অফিসার ও ইউপি সদস্যদের অবহিত না করে জুলাই মাসের দিকে পাঁচ মাসের চাল বিতরণ করা হয়। পরক্ষণে ওই বছরের ডিসেম্বর মাসে আরও চার মাসের চাল বিতরণ করা হয়। ওই বছরের ১২ মাসের বদলে মাত্র ৯ মাসের চাল বিতরণ করা হয়। বাকি তিন মাসের ৬১৫ জনের ৫৮ টন চাল ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বাদশা ফয়সালের কাছে রেখে পরে তা নিজেই ভোগ করেন বলে অভিযোগ করা হয়। আত্মসাৎ করা ৫৮ টন চালের আনুমানিক বাজার মূল্য ১৫ লাখ টাকার ওপরে বলে দাবি করা হয়। এ ঘটনার পর ইউপি সদস্যদের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানকে চাল বিতরণ করতে বারবার তাগাদা দেয়া হলে তিনি তাদের নীরব থাকতে চাপ প্রয়োগ করেন। এ প্রসঙ্গে সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য তোফাজ্জেল হাওলাদার, শিরিন বেগম, মাজহারুল ইসলাম চুন্নু, বাহাউদ্দিন মিয়া, আফজাল হোসেন, নুর নাহার ও বারেক গাজীর সঙ্গে কথা হলে তারা অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তারা বলেন, ২০১৯ সালে ১২ মাসের বদলে চেয়ারম্যান মাত্র ৯ মাসের চাল বিতরণ করেছেন। এ প্রসঙ্গে আলীপুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বাদশা ফয়সাল সাংবাদিকদের বলেন, এসব অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট। একটি মহল তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com