শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৬:১৭ পূর্বাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
সংবাদ শিরোনাম :
৪ ফেব্রুয়ারী বরিশাল বিভাগীয় বিএনপির সমাবেশ সফল করতে গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া উপজেলা বিএনপির প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত ৪ ফেব্রুয়ারী বিএনপি বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশ সফল করতে কাশিপুর ইউনিয়ন বিএনপির প্রচার পত্র বিতরণ ৪ ফেব্রুয়ারী বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে সদর উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে লিফলেট বিতরণ রিক্সা পেয়ে আনন্দে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীকে জড়িয়ে কাঁদলেন অক্ষমবৃদ্ধ ও দুপা-বিহীন প্রতিবন্ধী মুলাদীতে আজাহার উদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবনির্বাচিত কমিটির সভাপতির বিরুদ্ধে অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে নির্বাচিত হওয়ার অভিযোগ ঘুষ বাণিজ্যে কপাল পুড়েছে নান্টু ও মেহবুলের, ভাগ্য খুলেছে আবুল হোসেন ও শাহীনের কিশোর গ্যাং কালচার এ বাংলাদেশ অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বিএনপি ২৯০টি আসনে জয় লাভ করবে: বরিশালে রুমিন ফারহানা শেখ হাসিনার অধীনে আর নির্বাচন নয়: মির্জা ফখরুল বরিশাল আসছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অবঃ) জাহিদ ফারুক শামীম এমপি
আউশের বাম্পার ফলনে, হাসি ফুটেছে মির্জাগঞ্জের কৃষকের মুখে

আউশের বাম্পার ফলনে, হাসি ফুটেছে মির্জাগঞ্জের কৃষকের মুখে

পটুয়াখালী প্রতিবেদক ॥ পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের বিভিন্ন এলকায় আউশের ফলন ভালো হওয়ায় চাষিদের মুখে হাসি ফুটেছে। আউশের ফলন দেখে কৃষকের মুখে তৃপ্তির হাসি ফুটেছে। এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি ফলন হওয়ায় আউশ চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের।
এখন চলছে আউশ ধান কাটা ও মাড়াই করে ঘরে তোলার পালা। এবারের ফলন দেখে আউশ ধানের চাষে আগ্রহ প্রকাশ করছেন অনেকে কৃষকই। তবে কৃষকরা বলেন,আউশের বাম্পার ফলন এবং স্থানীয় বাজারে গতবারের চেয়ে দ্বিগুন দামে বিক্রি করতে পারছেন তারা। উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে এবার চলতি আউশ ও আমন মৌসুমে ১০ হাজার ৮৬০ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ করা হয়েছে। এর মধ্যে উপজেলার বিভিন্ন মাঠে মাঠে স্থানীয় জাতের আউশ ধান রোপন হয়েছে ১২০ হেক্টর জমিতে এবং উফশী আউশ ধান রোপণ হয়েছে ৭ হাজার ৫০ হেক্টরসহ ৭ হাজার ১৭০ হেক্টর জমিতে।
আর উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২০ হাজার মেট্রেক টন ধান। উপজেলায় এবারে ইরি-২৭,৪৮,বাউ-৬৩,(আবদুল হাই) ও বিআর ৪২-৪৩ জাতের ধান চাষ করা হয়েছে। এবারে চাষী পর্যায়ে বীজ উৎপাদনের জন্য সরকারি অর্থায়নে ২৪টি প্রদর্শনী দেওয়া হয়েছে। গত বারের আউশের ভালো ফলন দেখে এবারে আউশ চাষে কৃষকের আগ্রহ দেখা গেছে। ফলে গতবারের চেয়ে এবারে ২ হাজার ৯৫৯ হেক্টর বেশি জমিতে আউশ ধান চাষ হয়েছে। এসব জাতের মধ্যে ব্রি ধান-৪৮ চাষে ব্যাপকভাবে সাড়া পেয়েছে কৃষকরা। অন্যান্য বছরের তুলনায় দ্বিগুণ ফলন হয়েছে। কৃষি বিভাগ আরো জানান,দীর্ঘদিন যাবত এ উপজেলার কৃষক আউশ মৌসুমে স্থানীয় জাতের বীজ আবাদ করতো।
এ জাতের আউশ ধানের ফলন খুবই কম হওয়ায় কৃষকরা আউশ ধান আবাদে দিনে দিনে আগ্রহ হারাছিল। উচ্চ ফলনশীর জাতের ধান চাষ করে চলিত মৌসুমে আউশের বম্পার ফলন হওয়ায় আউশ চাষে কৃষকরা আগামীতে ব্যাপকভাবে উৎসাহিত হবে বলে আশা করছেন উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর। উপজেলার দক্ষিন আমড়াগাছিয়া গ্রামরে কৃষক মোতালেব হাওলাদার জানান, আমরা কম খরচে আউশ ধান আবাদ করে ভাল ফলন পেয়েছি, যা আশা করিনি। এ এলাকার জোয়ারের পানিতে কিছুটা ক্ষতি হলেও পানি দ্ুুত নেমে যাওয়ায় অল্পতেই ক্ষতি কাটিয়ে উঠেছি। বছরে দুই ফসলী নিচু জমিতে তিন ফসলী চাষ করা যায়। তবে সবখানে আউশের চাষ করতে পারলে লাভবান বেশি হতো। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ আরাফাত হোসেন বলেন, এই উপজেলার কৃষকরা পূর্বে স্থানীয় আউশ ধানের আবাদ করত। এই বছর আমরা কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করে উচ্চ ফলনশীল নতুন ব্রি.ধান-৪৮ আবাদ করার পরামর্শ দেই এবং বীজ, সার ও সেচ সহায়তা প্রদান করি। তাই আউশের উৎপাদন বাড়াতে সরকারি ভাবে ৩ হাজার ১০০ জন কৃষককে বিনামূল্যে বীজ ও সার দেওয়া হয়।
কৃষকরা আমাদের পরামর্শে উক্ত জাতের ধান চাষ করে বাম্পার ফলন পেয়েছে। তাদের এ ফলন দেখে এবং তুলনামূলক খরচ কম হওয়ায় এলাকার অন্যান্য কৃষক আগাম বীজ পাওয়ার জন্য আগ্রহ দেখাচ্ছে। দুই ফসলী জমিতে আরো বেশি ফলন উৎপাদন করা যায় সে ব্যাপারে চাষীদের ধারনা দেওয়া হচ্ছে কৃষি অফিস থেকে। এবারে স্থানীয় বাজারে আউশ ধানের দাম দ্বিগুন হওয়াতে আশা করছি এই বছরের তুলনায় আগামী বছর আরো বেশি জমিতে এ ধানের আবাদ হবে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com