মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৩, ০২:৩৫ পূর্বাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
সংবাদ শিরোনাম :
৪ ফেব্রুয়ারী বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে সদর উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে লিফলেট বিতরণ রিক্সা পেয়ে আনন্দে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীকে জড়িয়ে কাঁদলেন অক্ষমবৃদ্ধ ও দুপা-বিহীন প্রতিবন্ধী মুলাদীতে আজাহার উদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবনির্বাচিত কমিটির সভাপতির বিরুদ্ধে অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে নির্বাচিত হওয়ার অভিযোগ ঘুষ বাণিজ্যে কপাল পুড়েছে নান্টু ও মেহবুলের, ভাগ্য খুলেছে আবুল হোসেন ও শাহীনের কিশোর গ্যাং কালচার এ বাংলাদেশ অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বিএনপি ২৯০টি আসনে জয় লাভ করবে: বরিশালে রুমিন ফারহানা শেখ হাসিনার অধীনে আর নির্বাচন নয়: মির্জা ফখরুল বরিশাল আসছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অবঃ) জাহিদ ফারুক শামীম এমপি ৫ নভেম্বর বরিশালে বিএনপির গণসমাবেশ সফল করতে কাশিপুর ইউনিয়নে কেন্দ্রীয় নেতাদের লিফলেট বিতরণ জে.সি.আই এর সঙ্গে ৫ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর

বাউফলে অবৈধ স্থাপনা অপসারণের পর ফের দখল করলেন বিএনপি নেতা!

বাউফলে অবৈধ স্থাপনা অপসারণের পর ফের দখল করলেন বিএনপি নেতা!

দখিনের খবর ডেস্ক ॥ পটুয়াখালীর বাউফল থানার সামনে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের জায়গা থেকে অবৈধ স্থাপনা অপসারণের পর স্থানীয় এক বিএনপি নেতার নেতৃত্বে সেই জায়গা আবার দখল করে নেয়া হয়েছে। ইউএনও বলেছেন, ওই জমি সরকারি বিপরীতে দখলকারী বলেছেন, তাদের সম্পত্তি। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বাউফল থানার সামনে ১নং খাস খতিয়ানের ৩৮ শতাংশ জমির মধ্যে মুক্তিযোদ্ধ কমপ্লেক্স নির্মাণের জন্য ৮ শতাংশ জমি বরাদ্ধ দেয়া হয়। ওই জমিতে ৩ কোটি ২৮ লাখ ৫১ হাজার ৮শ ৩৬ টাকা ৫৫ পয়সা ব্যয়ে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের নির্মাণ কাজ চলছে। শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসেনের নেতৃত্বে কমপ্লেক্সের সামনের জায়গা থেকে অবৈধ স্থাপনা অপসারণের পর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি সুলতান আহম্মেদের পুত্র সাবেক ছাত্রদল নেতা আনোয়ার হোসেন লোকজন নিয়ে বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে ওই জায়গা দখল করে সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দিয়েছেন।
ইউএনও জাকির হোসেন বলেন,‘ ওই জায়গা ১নং খাস খতিয়ানের। ৮ শতাংশ জমি মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। আনোয়ার হোসেন গংরা যুগ্ম জেলা জজ ২য় আদলতের একটি আদেশের কপি নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের জায়গায় সাইন বোর্ড ঝুলিয়ে দিয়েছেন। ওই আদেশে জনৈক সৈয়দ আহম্মেদকে বিবাদী করা হলেও সরকারকে কোন বিবাদী করা হয়নি। আদালতকে ভুল বুঝিয়ে এক তরফা একটি আদেশ নেয়া হয়েছে। আমরা কাগজপত্র পর্যালোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করেবো।’ দখলকারী আনোয়ার হোসেন বলেন,‘ ৮৭ জেএলের ৪৭১ খতিয়ানের ১০৪০ নং দাগের (হাল দাগ নং বাটারা দাগ নং ১) ১৮ শতাংশ জমির মধ্যে ১৬ দশমিক ৯৩ শতাংশ জমির মালিক তিনি ও বাকি ১ দশমিক ৬ শতাংশ জমির মালিক মাইনুদ্দীন হাওলাদার। দীর্ঘদিন ধরে এই জায়গা বেদখল ছিল। আদালতের নির্দেশে উকিল কমিশনের মাধ্যমে আমাদের জায়গার দখল বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে এবং জায়গার সীমানা নির্ধারণ করে লাল পতাকা টাঙ্গিয়ে দেয়া হয়েছে। আমরা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের কোন জায়গা দখল করিনি।’ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক কমান্ডার ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি শামসুল আলম মিয়া বলেন, ‘দখলকারীরা প্রকৃতপক্ষে দখলবাজ। তাদের কাজই হচ্ছে ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে অন্যের সম্পত্তি নিজের বলে দাবি করা। ১ নম্বর খাস খতিয়ান থেকে সরকার মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স নির্মাণের জন্য ৮ শতাংশ জমি বরাদ্দ দিয়েছেন। ওই জমিতে বর্তমানে বহুতল ভবনের নির্মাণ কাজ চলছে। সেখানে তারা আদালতের এক তরফা একটি আদেশ নিয়ে ওই জায়গা তাদের বলে দাবি করেছেন। আমরা এ ব্যাপারে অবশ্যই আদালতের স্মরণাপন্ন হবো।’

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com