শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন

প্রধান পৃষ্ঠপোষকঃ মোহাম্মদ রফিকুল আমীন
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ জহির উদ্দিন স্বপন
সম্পাদক মণ্ডলীর সভাপতিঃ এস. সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু
প্রধান সম্পাদকঃ লায়ন এস দিদার সরদার
সম্পাদকঃ কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদকঃ মাসুদ রানা পলাশ
সহকারী সম্পাদকঃ লায়ন এসএম জুলফিকার
সংবাদ শিরোনাম :
বরিশালে জুলাই যোদ্বা শানু আকনের উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মেহেন্দিগঞ্জে পারিবারিক বিরোধের জেরে জামাইয়ের হাতে স্ত্রী ও শাশুড়ি আহত! ভান্ডারিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর পুড়ে ছাই, ক্ষতি প্রায় ৪ লাখ টাকা খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় ভান্ডারিয়ায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল দুই আসনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ “শাপলা কাব অ্যাওয়ার্ড” পেলেন বানারীপাড়ার নুসরাত জেরিন বানারীপাড়ায় বর্ণীল আলোকসজ্জা ও জমজমাট আয়োজনে কার্তিক পূজা অনুষ্ঠিত বরিশাল নগরীতে অনুষ্ঠিত ইতিহাসের সর্ব বৃহত্তম নারী সমাবেশে রহমাতুল্লাহ বরিশালে রাত পোহালেই বিএনপি নেত্রী ফাতেমা রহমানের ঠিকানা প্রত্যান্ত অঞ্চল সংবাদ সম্মেলন করে কয়েকটি স্থানীয় পত্রিকা ও অনলাইন নিউজ পোর্টালের বিরুধ্যে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ আনলেন গৌরনদীর বিএনপি নেতা সজল সরকার
বঞ্চিত হচ্ছে মেধাবীরা

বঞ্চিত হচ্ছে মেধাবীরা

নিয়োগ পরীক্ষায় কোটাপদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে রাজধানীতে বিক্ষোভ করেছেন চাকরিপ্রত্যাশীরা। তাঁদের দাবি, সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান কোটার পরিমাণ ৫৫ থেকে ১০ শতাংশে নামিয়ে আনতে হবে। কোটার যোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে শূন্য পদে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দিতে হবে। কোটায় কোনো ধরনের বিশেষ নিয়োগ পরীক্ষা না নেওয়া, সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে অভিন্ন বয়সসীমা ও নিয়োগ পরীক্ষায় একাধিকবার কোটার সুবিধা ব্যবহার না করা, অর্থাৎ কোটা সংস্কারের দাবি তাঁদের। এ দাবির পক্ষে তাঁদের যুক্তিও আছে। বলা হচ্ছে, কমসংখ্যক চাকরিপ্রত্যাশীর জন্য বেশি কোটা সংরক্ষণে একদিকে বেকার কমছে না, অন্যদিকে কোটায় নিয়োগ দেওয়ার মতো প্রার্থী না পাওয়ায় আসন খালি থেকে যাচ্ছে। সরকারি চাকরিতে যে কোটা সংরক্ষণ করা হয়, তার মধ্যে মুক্তিযোদ্ধার পোষ্য ছেলে-মেয়ে ও নাতি-নাতনির জন্য কোটা ৩০ শতাংশ, নারী কোটা ১০ শতাংশ, সব জেলার জন্য ১০ শতাংশ ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য ৫ শতাংশ কোটা সংরক্ষিত। ১ শতাংশ প্রতিবন্ধী কোটাও সংরক্ষণ করা হয়। দেখা যাচ্ছে, কোটা সংরক্ষণের কারণে ২৮তম বিসিএসে ৮১৩টি, ২৯তম বিসিএসে ৭৯২টি, ৩০তম বিসিএসে ৭৮৪টি, ৩১তম বিসিএসে ৭৭৩টি ও ৩৫তম বিসিএসে ৩৩৮টি পদ খালি থেকেছে। অন্যদিকে ৩৬তম বিসিএসে কোটা পূরণ না হওয়ায় ৩৭তম বিসিএস থেকে তা পূরণ করা হয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন নিয়োগনীতি শিরোনামে কোটাভিত্তিক নির্বাহী আদেশ দেওয়া হয়েছিল ১৯৭২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। পাবলিক সার্ভিস কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদনে বিভিন্ন বছরে কোটাপদ্ধতি যৌক্তিক করার বিষয়টি উত্থাপিত হয়েছে। বাস্তবে দেখা যায়, কোটা পূরণ না হওয়ায় অনেক পদে নিয়োগ হয় না। অথচ কোটার বাইরে থাকায় যোগ্য ও মেধাবী অনেকেই নিয়োগ থেকে বঞ্চিত হয়। এসব পদ খালি থাকায় সরকার ও রাষ্ট্র যেমন মেধাবী ও দক্ষদের সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, তেমনি যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অনেকে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ পাচ্ছে না। এতে তরুণদের মধ্যে হতাশা দেখা দিচ্ছে। দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশেও কোটাপদ্ধতি আছে। কিন্তু বাংলাদেশের কোটা সংরক্ষণ করতে গিয়ে কোথাও মেধা বিসর্জনের ঘটনা ঘটে না। যোগ্য প্রার্থীরা নিয়োগ লাভে বঞ্চিত হলে প্রশাসনে অদক্ষতা বিরাজ করবে। কাজেই কোটাপদ্ধতি নিয়ে নতুন করে ভাবার সময় এসেছে। একটি সিদ্ধান্ত এখনই নেওয়া যেতে পারে। কোনো কারণে সংরক্ষিত কোটায় যোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে মেধার ভিত্তিতে সেই পদ পূরণ করা যেতে পারে। এতে মেধাবীরা যেমন নিয়োগ থেকে বঞ্চিত হবে না, তেমনি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদও খালি থাকবে না।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017-2024 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com