বৃহস্পতিবার, ২০ Jun ২০২৪, ০৭:৪৪ অপরাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
সংবাদ শিরোনাম :
ফুলকুঁড়ি আসর এর ফাইনাল ক্রিকেট টুর্নামেন্টের অনুষ্ঠিত আওয়ামী ঘরানার বিতর্কিত লোকদের দিয়ে উজিরপুর উপজেলা শ্রমিক দলের কমিটি গঠন করার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন সান্টু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি ও তারেক রহমানের সুস্থতা কামনায় গৌরনদীতে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত গৌরনদীতে এতিমখানা ও মাদ্রাসার দরিদ্র, অসহায় শিক্ষার্থীদের মাঝে ঈদ বস্ত্র বিতরণ ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বরিশালে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের কারাবন্ধী ও রাজপথে সাহসী সৈনিকদের সম্মানে ইফতার দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত আদালতে মামলা চলমান থাকা অবস্থায়, দখিনের খবর পত্রিকা অফিসের তালা ভেঙে কোটি টাকার লুণ্ঠিত মালামাল বাড়িওয়ালার পাঁচ তলা থেকে উদ্ধার, মামলা নিতে পুলিশের রহস্যজনক ভূমিকা গলাচিপা উপজেলা প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন, সভাপতি হাফিজ, সম্পাদক রুবেল চোখের জলে বরিশাল প্রেসক্লাব সভাপতি কাজী বাবুলকে চির বিদায় বিএনপি নেতা জহির উদ্দিন স্বপন কারামুক্ত উচ্চ আদালতে জামিন পেলেন বরিশাল মহানগর বিএনপির মীর জাহিদসহ পাঁচ নেতা
মির্জাপুরে কাঠ পোড়ানো চুল্লি

মির্জাপুরে কাঠ পোড়ানো চুল্লি

বাংলাদেশে শুধু পরিবেশদূষণের কারণে সৃষ্ট নানা রোগে বছরে ৮০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। এই হিসাব উঠে এসেছে বিশ্বব্যাংক পরিচালিত এক গবেষণায়। এ ছাড়া প্রতিবছর আক্রান্ত হয় কয়েক লাখ মানুষ। মারা না গেলেও রোগ-যন্ত্রণা ভোগ করতে হয় বহু মানুষকে। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, শ্বাসকষ্টজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব অনেক বেড়ে গেছে। তার পরও কি আমাদের হুঁশ ফিরছে? পরিবেশ ও বন রক্ষায় আমরা কি সামান্যতম আন্তরিকতা দেখাচ্ছি? সারা দেশেই অবাধে ধ্বংস হচ্ছে বন। বনের পাশে, এমনকি বনের মধ্যেও গড়ে উঠছে দেদার করাতকল, ইটভাটা, কাঠ পোড়ানোর নানা ধরনের চুল্লি। প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে দেখা যায়, শুধু মির্জাপুরেই সংরক্ষিত বনাঞ্চলে ও তার আশপাশে ৩৩টি চুল্লি রয়েছে, যেগুলোতে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা বানানো হয়। আবার বনের জমি দখল করে বানানো হচ্ছে ঘরবাড়ি বা অন্যান্য স্থাপনা। যে বন বিভাগ এসব দেখভাল বা রক্ষা করার দায়িত্বে রয়েছে বাস্তবে দেখা যায় তাদেরই কিছু কর্মী অনৈতিক সুবিধা নিয়ে বন ধ্বংসকারী বা দখলকারীদের সঙ্গে হাত মেলাচ্ছে।
সুস্থ পরিবেশের জন্য কোনো দেশে কমপক্ষে ২৫ শতাংশ বনভূমি থাকা জরুরি। ধারণা করা হয়, বাংলাদেশে বনভূমির পরিমাণ ৫ শতাংশের নিচে নেমে গেছে। প্রাকৃতিক বনের পরিমাণ আরো অনেক কম। বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, এভাবে চললে কয়েক দশকের মধ্যে বাংলাদেশ বনশূন্য হয়ে যাবে। পঞ্চাশের দশকেও মধুপুর বনাঞ্চলে বাঘের অবাধ বিচরণ ছিল। ছিল বুনো মোষ, গয়ালসহ আরো অনেক বন্য প্রাণী। স্বাধীনতার পরও ভাওয়াল-মধুপুরে বনের যে বিস্তৃতি ছিল, বন যতটা গহিন ছিল তার প্রায় কিছুই নেই এখন। অতি সামান্য যেটুকু অবশেষ কোনো রকমে টিকে আছে, তা-ও এভাবে শেষ হয়ে যাবে? কয়েক বছর আগের এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, শুধু কক্সবাজার জেলায়ই সংরক্ষিত বনাঞ্চলগুলোর পাশে বা কোথাও কোথাও বনের পেটের মধ্যে প্রায় দুই ডজন ইটভাটা ছিল। এখন সম্ভবত সংখ্যা আরো বেড়েছে। অভিযোগ আছে, এদের বেশির ভাগই দেখানোর জন্য ভাটায় কিছু কয়লা জমিয়ে রাখে, কিন্তু ইট পোড়ায় কাঠ দিয়ে। পাহাড় কেটে মাটি নেয়। বৃহত্তর চট্টগ্রাম ও সিলেটে বনাঞ্চলের পাশে এ রকম কয়েক শ ইটভাটা পাওয়া যাবে। অথচ আইনে আছে, সংরক্ষিত বনাঞ্চলের সীমানার তিন কিলোমিটারের মধ্যে কোনো ইটভাটা থাকতে পারবে না। কিন্তু আইন বাস্তবায়ন করবে কে? বাস্তবায়নের দায়িত্বে যাঁরা থাকেন, তাঁরা কোনো না কোনো কারণে এ ক্ষেত্রে তাঁদের চোখ বন্ধ করে রাখেন।
সুস্থ জীবনের জন্য সুস্থ পরিবেশের কোনো বিকল্প নেই। আমরা চাই, মির্জাপুরে সংরক্ষিত বনাঞ্চলের পাশে যেসব চুল্লি ও কারখানা গড়ে উঠেছে, অবিলম্বে সেগুলো বন্ধ করা হোক। যারা অন্যায়ভাবে সেগুলো করেছে, তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হোক। একই সঙ্গে বন ও পরিবেশ রক্ষার দায়িত্বে যাঁরা আছেন, তাঁরা কেন এতদিন সেগুলোর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেননি, তা তদন্ত করে প্রয়োজনে তাঁদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে হবে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com